লক্ষ লক্ষ হা ঘরে দুর্গত সারাংশ সারমর্ম দেখবো আজ। এই পাঠটি আমাদের ভাষা ও শিক্ষা সিরিজের , সারাংশ সারমর্ম বিভাগের একটি পাঠ।
লক্ষ লক্ষ হা ঘরে দুর্গত সারাংশ সারমর্ম লিখন
লক্ষ লক্ষ হা ঘরে … রচনাটি ভালোভাবে পড়ে নেবো। এরপর আমরা রচনাটির সারাংশ সারমর্ম তৈরি করবো। তারপর সারাংশ সারমর্ম তৈরি করার নিয়মের দিকে একটু চোখ বুলিয়ে নেব।
লক্ষ লক্ষ হা ঘরে দুর্গত কবিতা
লক্ষ লক্ষ হা ঘরে দুর্গত
ঘৃণ্য যম-দূত-সেনা এড়িয়ে সীমান্তপারে ছোটে,
পথে পথে অনশনে অন্তিম যন্ত্রণা
রোগে ত্রাসে সহস্রের অবসান, হন্তারক বারুদে বন্দুকে
সব সাধকের বড় সাধক আমার দেশের চাষা,
দেশ মাতারই মুক্তিকামী দেশের সে যে আশা।
দধীচি কি ইহার চেয়ে সাধক ছিল বড়?
মুক্তিকামী মহাসাধক মুক্ত করে দেশ,
রৌদ্রদাহ-তপ্ত তনু মেঘের জলে ভিজে।
মূর্ছিত-মৃতের দেহ বিদ্ধ করে, হত্যা-ব্যবসায়ী
বাংলাদেশ-ধ্বংস-কাব্যে জানে না পৌঁছল জাহান্নামে এ জন্মেই;
পুণ্য এত হবে নাকো, সব করিলেও জড়।
সবারই সে অন্ন যোগায় নাইকো গর্ব লেশ। ব্রত তাহার পরের হিত সুখ নাহি চায় নিজে
বাংলাদেশ অনন্ত অক্ষত মূৰ্তি জাগে ॥
লক্ষ লক্ষ হা ঘরে দুর্গত সারমর্ম :
মুক্তিযুদ্ধে লক্ষ লক্ষ মানুষের উদ্বাস্তু জীবন,মৃত্যুর আর্তনাদ, নির্যাতনের যন্ত্রণা সত্ত্বেও বাঙালি দমে নি। হত্যাকারীরা হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে যে কাহিনি-কাব্য রচনা করতে চেয়েছিল, তা তো সম্ভব হয়ই নি, বরং তাদের সে ধ্বংসস্তূপের ওপর জন্ম নিয়েছে বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল অক্ষয় মূর্তি।
সারাংশ সারমর্ম তৈরি করার নিয়ম:
সারাংশ সারমর্ম বলতে কোন বৃহত্তর রচনা, যেমন কোন গবেষণাপত্র, সন্দর্ভ, অভিসন্দর্ভ, পর্যালোচনা, সম্মেলন বিবরণী, বা যেকোন বিষয়ের উপর গভীর বিশ্লেষণী কোন রচনার মূল বিষয়বস্তুর ধারণা প্রদানকারী একটি সংক্ষিপ্ত রচনাকে বোঝায়। সারাংশ সাধারণত রচনার শুরুতে বা কখনো কখনো রচনার শেষে সংযুক্ত করা হয়।
শিক্ষায়তনিক গবেষণায় জটিল গবেষণাধর্মী বিষয়সমূহ সহজভাবে বোধগম্য করে তুলতে সারাংশ ব্যবহৃত হয়। সারাংশ সম্পূর্ণ গবেষণাপত্রের পরিবর্তে একটি ছোট সত্তা হিসেবে কাজ করতে পারে। যেমন, অনেক প্রতিষ্ঠান কোন গবেষণার মূলভিত্তি নির্বাচনে সারাংশ ব্যবহার করে, যা কোন শিক্ষায়তনিক সম্মেলনে পোস্টার আকারে, মৌখিক উপস্থাপনার বা মঞ্চে উপস্থাপনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে পারে। বেশিরভাগ গবেষণা ডেটাবেজ সার্চ ইঞ্জিনে সম্পূর্ণ গবেষণাপত্র দেওয়ার পরিবর্তে শুরু সারাংশ প্রদান করে থাকে।