অক্ষয়চন্দ্র সরকার । ঊনবিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ট বাঙালি কবি, প্রাবন্ধিক ও সাহিত্য সমালোচক
অক্ষয়চন্দ্র সরকার ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ট বাঙালি কবি, প্রাবন্ধিক ও সাহিত্য সমালোচক। তার জন্ম ১১ ডিসেম্বর ১৮৪৬, মৃত্যু ২ অক্টোবর ১৯১৭। রায়বাহাদুরের পুত্র হয়েও ব্রিটিশ-বিরোধী আন্দোলনের প্রবল সমর্থক অক্ষয়চন্দ্র দেশীয় শিল্পের পুনরুজ্জীবন ও স্বায়ত্তশাসনের উপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তনের পক্ষপাতী ছিলেন। অক্ষয়চন্দ্র সরকারের জীবনী: অক্ষয়চন্দ্রে জন্ম বর্তমান হুগলি জেলার চুঁচুড়ার কদমতলায়। পিতা ছিলেন সেযুগের বিশিষ্ট কবি ও […]
কবি সমর সেন || বিশিষ্ট জনের জীবনী

কবি সমর সেন – একজন বিখ্যাত ও উল্লেখ যোগ্য কবি। তার জীবনের সকল বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। কবি সমর সেন সমর সেন (ইংরেজি: Samar Sen; জন্ম: ১০ অক্টোবর, ১৯১৬ — মৃত্যু: ২৩ আগস্ট, ১৯৮৭) ছিলেন একজন উল্লেখযোগ্য বাংলাভাষী স্বাধীনতা-উত্তর কালের ভারতীয় কবি এবং সাংবাদিক। তিনি বিখ্যাত সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ দীনেশ চন্দ্র সেনের পৌত্র। তিনি […]
আধুনিক মন : আধুনিক সাহিত্য – আবুল ফজল [ প্রবন্ধ ]
আধুনিক মন : আধুনিক সাহিত্য প্রবন্ধটির লেখক আবুল ফজল। আবুল ফজল (১ জুলাই ১৯০৩-৪ মে ১৯৮৩) বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাহিত্যিক। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং রাষ্ট্রপতির শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি মূলত একজন চিন্তাশীল ও সমাজমনস্ক প্রবন্ধকার। তার প্রবন্ধে সমাজ, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও রাষ্ট্র সম্পর্কে গভীর ও স্বচ্ছ দৃষ্টিসম্পন্ন মনোভাবের পরিচয় পাওয়া যায়। […]
উমর ফারুক কবিতা – কাজী নজরুল ইসলাম

উমর ফারুক কবিতা – কাজী নজরুল ইসলাম (২৪ মে১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬; ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ – ১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ) বিংশ শতাব্দীর প্রধান বাঙালি কবি ও সঙ্গীতকার। তার মাত্র ২৩ বৎসরের সাহিত্যিক জীবনে সৃষ্টির যে প্রাচুর্য তা তুলনারহিত। সাহিত্যের নানা শাখায় বিচরণ করলেও তার প্রধান পরিচয় তিনি কবি। তার জীবন শুরু হয়েছিল অকিঞ্চিতকর পরিবেশে। স্কুলের গণ্ডি […]
এই রোকো পৃথিবীর গাড়িটা থামাও – সলিল চৌধুরী
‘এই রোকো পৃথিবীর গাড়িটা থামাও’—এটি কেবল একটি কবিতা নয়, বরং যান্ত্রিক ও স্বার্থমগ্ন এই মহাবিশ্বের বিরুদ্ধে এক নিঃসঙ্গ আত্মার প্রতিবাদী ইশতেহার। কিংবদন্তি শিল্পী ও কবি সলিল চৌধুরী এই কবিতায় পৃথিবীকে কল্পনা করেছেন একটি গতিশীল যাত্রীবাহী গাড়িরূপে, যেখানে মানুষ এক অনিশ্চিত গন্তব্যের যাত্রী। কবিতাটির মূল সুর বিষাদ এবং এক প্রবল বিরাগ (Alienation)। আধুনিক জীবনের জটিলতা, পারস্পরিক […]
মালতীবালা বালিকা বিদ্যালয় – জয় গোস্বামী

মালতীবালা বালিকা বিদ্যালয় – প্রকৃতপক্ষে ‘মালতীবালা বালিকা বিদ্যালয়’ কবিতাটির মধ্যে যেন লুকিয়ে আছে এক সার্থক ছোটোগল্পের আভাস। জয় গোস্বামীর অনেক কবিতাকেই এই শ্রেণিভুক্ত করা যেতে পারে। রবীন্দ্রনাথের পুনশ্চ কাব্যগ্রন্থের অনেকগুলি কবিতায় এই রকম আখ্যানের আভাস আছে। জয় গোস্বামী (জন্ম: ১০ নভেম্বর ১৯৫৪) বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে আবির্ভূত একজন আধুনিক বাঙ্গালী কবি। ভারতীয় পশ্চিম বাংলার এই কবি বাংলা ভাষার উত্তর-জীবনানন্দ পর্বের অন্যতম জনপ্রিয় […]
মেঘবালিকার জন্য রূপকথা – জয় গোস্বামী
মেঘবালিকার জন্য রূপকথা – এই বিখ্যাত কবিতাটি লিখেছেন কবি “জয় গোস্বামী” । জয় গোস্বামী (জন্ম: ১০ নভেম্বর ১৯৫৪) বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে আবির্ভূত একজন আধুনিক বাঙ্গালী কবি। ভারতীয় পশ্চিম বাংলার এই কবি বাংলা ভাষার উত্তর-জীবনানন্দ পর্বের অন্যতম জনপ্রিয় কবি হিসাবে পরিগণিত। তার কবিতা চমৎকার চিত্রকল্পে, উপমা এবং উৎপ্রেক্ষায় ঋদ্ধ। তিনি দুবার আনন্দ পুরস্কার লাভ করেছেন। বজ্রবিদ্যুৎ-ভর্তি খাতা কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি পুরস্কার অর্জন করেন। তার কবিতার […]
জয় গোস্বামীর ফুটকড়াই কবিতা
‘ফুটকড়াই’ কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী আধুনিক কবি জয় গোস্বামী-এর একটি অনন্যসাধারণ সৃষ্টি। এই কবিতায় কবি তুলে ধরেছেন নিম্নবর্গের এক মেয়ের জীবন, তার লাঞ্ছনা, সংগ্রাম এবং দ্রোহের অন্তর্লীন গল্প। ‘ফুটকড়াই’ শুধু একজন নারী নয়, বরং একটি প্রতীক—একটি শ্রেণির প্রতিচ্ছবি—যাকে সমাজ বরাবরই অবহেলা করে এসেছে। কবিতার কেন্দ্রীয় চরিত্র ‘ফুটকড়াই’ এক গরিব মেয়ের নাম, যার দিকে তাকিয়ে […]
শাসকের প্রতি – জয় গোস্বামী
শাসকের প্রতি – জয় গোস্বামী আপনি যা বলবেন আমি ঠিক তাই কোরবো তাই খাবো তাই পরবো তাই গায়ে মেখে ব্যাড়াতে যাবো কথাটি না বলে বললে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলে থাকবো সারা রাত তাই থাকবো পরদিন যখন বলবেন এবার নেমে এসো তখন কিন্তু লোক লাগবে আমাকে নামাতে একা একা নামতো পারবো না ও টুকু পারি নি […]
বিবাহের আগে শেষ দেখা – জয় গোস্বামী
বিবাহের আগে শেষ দেখা – জয় গোস্বামী একসময় মনে হত কোনওদিন তোমাকে পাব না একসময় মনে হত ইচ্ছে করলেই পাওয়া যায় আজকে শেষবার আমি তোমাকে পেলাম কালকের পর থেকে আমাকে নেবে না আর তুমি দুপুর ফুরিয়ে এল। এইবার ফিরে আসবে বাড়ির সবাই। আর একবার, আর একবার, এসো__ প্রথম দিনের মতো আবার পুড়িয়ে করো ছাই !\