নদী – সুকুমার রায়
নদী – সুকুমার রায় হে পর্বত, যত নদী করি নিরীক্ষণ তোমাতেই করে তারা জনম গ্রহণ। ছোট বড় ঢেউ সব তাদের …
আশ্চর্য ! – সুকুমার রায়
আশ্চর্য ! – সুকুমার রায় নিরীহ কলম, নিরীহ কালি, নিরীহ কাগজে লিখিল গালি – “বাঁদর বেকুব আজব হাঁদা বকাট্ ফাজিল …
গ্রীষ্ম (সর্বনেশে গ্রীষ্ম) – সুকুমার রায়
গ্রীষ্ম (সর্বনেশে গ্রীষ্ম) – সুকুমার রায় সর্বনেশে গ্রীষ্ম এসে বর্ষশেষে রুদ্রবেশে আপন ঝোঁকে বিষম রোখে আগুন ফোঁকে ধরার চোখে। তাপিয়ে …
নন্দগুপি – সুকুমার রায়
নন্দগুপি – সুকুমার রায় হঠাৎ কেন দুপুর রোদে চাদর দিয়ে মুড়ি, চোরের মতন নন্দগোপাল চল্ছে গুড়ি গুড়ি ? লুকিয়ে বুঝি …
আহ্লাদী – সুকুমার রায়
আহ্লাদী – সুকুমার রায় হাসছি মোরা হাসছি দেখ, হাসছি মোরা আহ্লাদী, তিনজনেতে জট্লা ক’রে ফোক্লা হাসির পাল্লা দি । হাসতে …
চলে হন্ হন্ – সুকুমার রায়
সুকুমার রায়ের এই বিখ্যাত ছড়াটি ধ্বন্যাত্মক শব্দের নিপুণ কারুকাজে সমৃদ্ধ। মাত্র দশটি ক্ষুদ্র চরণে কবি গতি, প্রকৃতি, শারীরিক অনুভূতি এবং …
নাচন – সুকুমার রায়
সুকুমার রায়ের এই পঙ্ক্তিমালাটি তাঁর বিখ্যাত ‘ননসেন্স রাইম’ বা খামখেয়ালি ছন্দের এক প্রাণবন্ত রূপ। এখানে এক অদ্ভুত ও আনন্দময় জগতের …
নিঃস্বার্থ – সুকুমার রায়
নিঃস্বার্থ – সুকুমার রায় গোপ্লাটা কি হিংসুটে মা ! খাবার দিলেম ভাগ করে, বললে নাকো মুখেও কিছু, ফেল্লে ছুঁড়ে রাগ …
নূতন বৎসর – সুকুমার রায়
নূতন বৎসর – সুকুমার রায় ‘নূতন বছর ! নূতন বছর !’ সবাই হাঁকে সকাল সাঁঝে আজকে আমার সূর্যি মামার মুখটি …
পালোয়ান – সুকুমার রায়
পালোয়ান – সুকুমার রায় খেলার ছলে ষষ্ঠিচরণ হাতী লোফেন যখন তখন, দেহের ওজন উনিশটি মণ, শক্ত যেন লোহার গঠন । …