বাংলা গুরুকুল, GOLN

অনুজ্ঞাবাচক বাক্য থেকে নির্দেশাত্মক বাক্যে রূপান্তর – আজকের আলোচনার বিষয়। এই পাঠটি “ভাষা ও শিক্ষা” বিভাগের “বাক্যতত্ত্ব” বিষয়ের “নির্দেশাত্মক বাক্য থেকে সন্দেহদ্যোতক বাক্যে রূপান্তর” সেকশনের একটি পাঠ।

 

অনুজ্ঞাবাচক বাক্য থেকে নির্দেশাত্মক বাক্যে রূপান্তর

সূত্র : অনুজ্ঞাবাচক বাক্য থেকে নির্দেশাত্মক বাক্যে রূপান্তর করতে হলে মৌলিক অর্থ বা মূল অর্থ অপরিবর্তিত -ইলে / লে) বা কৃৎ-প্রত্যয় যোগ করে ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য বা বিশেষণ -ইয়া / এ, ইতে / −তে, রেখে অনুজ্ঞাবাচক ক্রিয়াপদের অন্তর্গত মূল ধাতুর সঙ্গে অসমাপিকা পদ গঠন করতে হয় এবং অনুজ্ঞার করতে ভাবকে দিতে হয় নির্দেশাত্মক ভাবের পরিণতি ।

যেমন : অনুজ্ঞাবাচক : দরজা খোল। নির্দেশাত্মক : তোমায় দরজা খুলতে বলছি। অনুজ্ঞাবাচক : খবরদার, আর এক পাও এগিয়ো না । নির্দেশাত্মক : আর এক পাও অগ্রসর না হবার জন্য সাবধান করে দিচ্ছি।

নির্দেশাত্মক বাক্য থেকে সন্দেহদ্যোতক বাক্যে রূপান্তর

সূত্র : নির্দেশাত্মক বাক্য থেকে সন্দেহদ্যোতক বাক্যে রূপান্তর করতে হলে মৌলিক অর্থ বা মূল অর্থ বোধ হয়, হয়তো, মনে হয়, বুঝি, সম্ভবত প্রভৃতি ব্যবহৃত অপরিবর্তিত রেখে সন্দেহদ্যোতক শব্দ যেমন— হয়। যেমন : নির্দেশাত্মক : তাদের জয় হবে। সন্দেহসূচক : তাদের বোধ হয় জয় হবে। নির্দেশাত্মক : আরো অনেক কথা আছে। সন্দেহসূচক : বোধ করি আরো অনেক কথা আছে। নির্দেশাত্মক : সকলেই তার দিকে অবাক হয়ে চেয়ে রইল। সন্দেহসূচক : বোধ হয় সকলেই তার দিকে অবাক হয়ে চেয়ে রইল ।

 

শ্রেণীগত ব্যাকরণ হল একটি পদ্ধতি যা ব্যাকরণের বাক্যতত্ত্বগত কাঠামোকে নির্দেশ করে এর নিয়মকে নয়, তবে বাক্যতত্ত্বগত শ্রেণির বৈশিষ্ট্যগুলির সাথে নিজেকে প্রকাশ করে। উদাহরণস্বরূপ, বাক্যগুলিকে এমন একটি নিয়ম দ্বারা গঠন করা হয় যেখানে একটি বিশেষ্য ফ্রেজ(এনপি) এবং একটি ক্রিয়া ফ্রেজের (ভিপি) মধ্যে সমন্বয় সাধন করা হয় (উদাহরণস্বরূপ, ফ্রেজ গঠন নীতির এস → এনপি ভিপি), ক্যাটাগরিকাল ব্যাকরণের মধ্যে এই নীতিগুলির সংমিশ্রণ করা হয় যেখানে নীতিগুলি এম্বেড করা হয় শব্দ নিজেই সেখানে একটি বিভাগ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।