আছে কবিতা – জীবনানন্দ দাশ [ জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা ]
আছে কবিতাটি কবি জীবনানন্দ দাশ এর সাতটি তারার তিমির কাব্যগ্রন্থের অংশ। পরে শ্রেষ্ঠ কবিতা সংকলনে যুক্ত করা হয়। জীবনানন্দ দাশ বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি, লেখক ও প্রাবন্ধিক। আছে কবিতা – জীবনানন্দ দাশ এখন চৈত্রের দিন নিভে আসে— আরো নিভে আসে; এখানে মাঠের ’পরে শুয়ে আছি ঘাসে; এসে শেষ হ’য়ে যায় মামুষের […]
অক্ষরবৃত্ত ছন্দ: স্বরূপ, বিবর্তন ও শৈল্পিক বিশ্লেষণ

বাংলা কবিতার ছন্দশৈলীর ইতিহাসে অক্ষরবৃত্ত ছন্দ এক বিশাল ও গাম্ভীর্যপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। এটি কেবল একটি ছন্দ রীতি নয়, বরং বাংলা ভাষার নিজস্ব ধ্বনিপ্রকৃতি ও বিবর্তনের এক জীবন্ত দলিল। “ভাষা ও শিক্ষা” বিষয়ের “ছন্দ ও অলঙ্কার” বিভাগের আজকের এই সুদীর্ঘ আলোচনায় আমরা অক্ষরবৃত্ত ছন্দের আদ্যোপান্ত বিশ্লেষণ করব। অক্ষরবৃত্ত ছন্দ: স্বরূপ, বিবর্তন ও শৈল্পিক বিশ্লেষণ […]
বাংলা ছন্দের শ্রেণিবিভাগ
বাংলা কবিতার সুষমা ও শ্রুতিমাধুর্য গড়ে ওঠে তার শৈল্পিক ছন্দের গাঁথুনিতে। “ভাষা ও শিক্ষা” সিরিজের “ছন্দ ও অলঙ্কার” বিভাগের আজকের আলোচনায় আমরা ছন্দের শ্রেণিবিভাগ নিয়ে বিস্তারিত জানব। বাংলা ছন্দের শ্রেণিবিভাগ: বিবর্তন ও আধুনিক রূপ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগে ছন্দের এই আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক বিভাজন ছিল না। তখনকার কবিরা ছন্দের আকৃতিগত পার্থক্য (যেমন: চরণে অক্ষরের […]
উক্তির সংজ্ঞার্থ ও প্রকারভেদ

উক্তির সংজ্ঞার্থ ও প্রকারভেদ নিয়ে আজকের আলোচনা। এই পাঠটি “ভাষা ও শিক্ষা” সিরিজের, বাক্যতত্ত্ব বিভাগের উক্তি পরিবর্তন বিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ পাঠ। উক্তির সংজ্ঞার্থ ও প্রকারভেদ কোনো কথকের বাক্ কর্মের নামই উক্তি। বা, কোন কিছু বলার নামই উক্তি। উক্তির অর্থ কথন বা উল্লেখ। উক্তি দুই প্রকার। যথা : ১. প্রত্যক্ষ উক্তি (Direct speech) ২. […]
সমাসে সন্ধি – সমাস ও সন্ধির পার্থক্য
সমাসে সন্ধি নিয়ে আজকের আলোচনা। সমাসে সন্ধির পাশাপাশি সমাস ও সন্ধির পার্থক্য নিয়েও আলোচনা হবে। সমাসে সন্ধি তৎসম শব্দের সমাসে সমস্যমান পদে সন্ধির প্রয়োজন থাকলে অবশ্যই সন্ধি করতে হবে। যেমন- জ্ঞানালোক (জ্ঞান+ আলোক)। বাংলায় এই সন্ধি গৌণ, প্রয়োজনে সন্ধি বর্জন করে হাইফেন দিয়ে যুক্ত করে লেখা যায়। যেমন— ‘জ্ঞান- আলোকের কিরণমালা’। এরূপ— ‘জীবনেতিহাস’ না লিখে […]
পদাশ্রিত নির্দেশক
বাংলা ভাষায় এমন কিছু অব্যয় বা প্রত্যয় আছে, যেগুলি কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের আশ্রয়ে থেকে অথবা পদের পরে যুক্ত হয়ে সেই পদকে নির্দিষ্টতা, পরিমাণ, স্বল্পতা কিংবা বিশেষ অর্থ প্রদান করে। এই ধরনের শব্দ বা শব্দাংশগুলিকেই বলা হয় পদাশ্রিত নির্দেশক। সহজভাবে বলা যায়, বিশেষ্য বা সর্বনাম পদকে স্পষ্ট, নির্দিষ্ট বা অর্থবহ করে তোলার জন্য যেসব […]
শব্দ ও পদ এবং পদের শ্রেণিবিভাগ | ব্যাকরণিক শব্দশ্রেণি | ভাষা ও শিক্ষা
শব্দ ও পদ এবং পদের শ্রেণিবিভাগ | ব্যাকরণিক শব্দশ্রেণি | ভাষা ও শিক্ষা , শব্দ : শব্দ বস্তু বা ভাবের দ্যোতক। অর্থপূর্ণ ধ্বনি ও ধ্বনিসমষ্টিকে ‘শব্দ’ বলা হয়। যেমন : অ + সৃ + অ + + অ – অলস। অলস শব্দটি শ্রমবিমুখ, মদ্ধর, জড়প্রকৃতিবিশিষ্ট ভাবের দ্যোতক। এভাবে এক-একটি শব্দ প্রকাশ করে একটি বা একাধিক […]
ণত্ব ও ষত্ব বিধান
ণত্ব ও ষত্ব বিধান নিয়ে আজকের আলোচনা। বাংলা ভাষায় সাধারণত মূর্ধন্য-ণ এবং মূর্ধন্য-ষ ধ্বনির ব্যবহার নেই বলে বাংলা দেশি, তদ্ভব, ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ণ বা মূর্ধন্য-ষ লেখার প্রয়োজন হয় না। কিন্তু বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বহু তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে মূর্ধন্য-ণ এবং মূর্ধন্য-ষ রয়েছে। সে-সব বাংলায় অবিকৃত অবস্থায় রক্ষিত হয়। অর্থাৎ ণত্ব ও ষত্ববিধি শুধু […]
যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির উচ্চারণ রীতি

যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির উচ্চারণ রীতি আজকের আলোচনার বিষয়| এই পাঠটি “ভাষা ও শিক্ষা” সিরিজের ধ্বনিতত্ব বিভাগের, ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ব – পাঠের অংশ। যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির উচ্চারণ রীতি নিচে সংযুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ ও তাদের উচ্চারণ রীতি দেখানো হল : সূত্র: যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির উচ্চারণ রীতি | ধ্বনির পরিবর্তন | ধ্বনি-পরিবর্তনের সম্ভাব্য বহু ধারা | ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা […]
বাংলা ব্যাকরণের শ্রেণিবিভাগ

বাংলা ব্যাকরণের শ্রেণিবিভাগ নিয়ে আজকের আলোচনা। আমরা বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি নিয়ে একটা দীর্ঘ সিরিজ শুরু করেছি। আশা করি শিক্ষার্থীদের কাজে লাগবে। ব্যাকরণের শ্রেণিবিভাগ ড. মুহম্মদ এনামুল হকের মতে বাংলা ব্যাকরণ তিন প্রকারের : (ক) ঐতিহাসিক ব্যাকরণ: কোন একটি ভাষার উৎপত্তি থেকে চলমান সময় বা বর্তমান কাল পর্যন্ত সে ভাষার ক্রমবিকাশের ইতিহাস পর্যালোচনা করা […]